ব্যালন ডি’অরের সম্ভাব্য তালিকায় মেসি থাকলেও নেই রোনালদো

Published from Blogger Prime Android Appহ্যারি কেইন আর জুড বেলিংহ্যামের স্বপ্ন ভেঙে ইউরো জয় করেছে স্পেন। নায়ক হলেন দেশটির ফুটবলার রদ্রি। ক্লাব ফুটবলে যিনি ম্যানচেস্টার সিটির জার্সি গায়ে মাঠ মাতান। ইউরোর এবারের আসরের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন এই স্প্যানিশ ফুটবলার। ৩ গোল আর ২ অ্যাসিস্ট করে গোল্ডেন বুট জিতেছেন দানি ওলমো। সঙ্গে ক্লাব ফুটবলে তো বছরজুড়ে দাপট ছিলই। তাতেই দুজনেই আছেন এবার ব্যালন ডি’অর জয়ের শীর্ষে। এমনকি টুর্নামেন্টের উদীয়মান তারকার পুরস্কার জেতা লামিন ইয়ামলও আছেন এই তালিকায়।

ফুটবলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গোল ডট কম ‘ব্যালন ডি’অর পাওয়া র‌্যাংকিং করেছে। যেখানে সবার ওপরেই আছে রদ্রির নাম। তালিকায় আছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও হুলিয়ান আলভারেজও। লিওনেল মেসির নাম থাকলেও নেই তিনি সেরা দশের তালিকায়। তাকে পাওয়া গেছে ১৬ নম্বরে। আর্জেন্টাইন মহাতারকার নাম থাকলেও নেই পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নাম।

এই তালিকায় সবার শীর্ষে নাম রয়েছে স্পেনের রদ্রির। যিনি ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ইংলিশ লিগের শিরোপা জিতেছেন। আগের আসরে ট্রেবল জিতলেও এবার তা হয়নি। যদিও উয়েফা সুপার কাপ এবং ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ এবার পেয়েছেন। স্পেনের হয়ে সবশেষ জিতেছিলেন উয়েফা নেশন্স লিগ। আর এবার জিতলেন ইউরো। সবশেষ মৌসুমে ১২টি গোল তিনি নিজে করেছেন। সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ১৫ গোল। তাই এসব বিবেচনায় তাকে শীর্ষে রেখেছে গোল ডট কম। তালিকার দ্বিতীয়তে আছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তারপর একে একে জুড বেলিংহ্যাম, দানি কারবাহাল, লাউতারো মার্তিনেজ, টনি ক্রুস, কিলিয়ান এমবাপ্পে, হ্যারি কেইন, ফিল ফোডেন, নিকো উইলিয়ামস, ফ্লোরিয়ান বির্টজ, লামিন ইয়ামাল, আর্লিং হালান্ড, এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, আলভারো মোরাতা, লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ, দানি ওলমো, বুকাওয়ে সাকা এবং রদ্রিগো। ফুটবলারদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের জন্য দেওয়া হয়ে থাকে এই পুরস্কার। ব্যালন ডি’অরের জন্য আগে পুরো বছরের পারফরম্যান্স বিবেচনায় নেওয়া হত। তবে গত বছর দুই ধরে নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়। ২০২২ সাল থেকে বিবেচনা করা হচ্ছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের পুরো একটি মৌসুমের সময়কে (আগস্ট-জুলাই)। রেকর্ড ৮ বার এই পুরস্কার জিতেছেন লিওনেল মেসি। ৬ বার নিজের করেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ২০০৮ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত একচেটিয়াভাবে পুরস্কারটি ছিল রোনালদো ও মেসির দখলে। মাঝে ২০১৮ সালে লুকা মদ্রিচ ও ২০২২ সালে সেটি জিতে নিয়েছিলেন করিম বেনজেমা। তবে সবশেষ গত বছরও পুরস্কারটি ফের নিজের করে নেন মেসি।এই তালিকায় সবার শীর্ষে নাম রয়েছে স্পেনের রদ্রির। যিনি ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ইংলিশ লিগের শিরোপা জিতেছেন। আগের আসরে ট্রেবল জিতলেও এবার তা হয়নি। যদিও উয়েফা সুপার কাপ এবং ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ এবার পেয়েছেন। স্পেনের হয়ে সবশেষ জিতেছিলেন উয়েফা নেশন্স লিগ। আর এবার জিতলেন ইউরো। সবশেষ মৌসুমে ১২টি গোল তিনি নিজে করেছেন। সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ১৫ গোল। তাই এসব বিবেচনায় তাকে শীর্ষে রেখেছে গোল ডট কম।


তালিকার দ্বিতীয়তে আছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তারপর একে একে জুড বেলিংহ্যাম, দানি কারবাহাল, লাউতারো মার্তিনেজ, টনি ক্রুস, কিলিয়ান এমবাপ্পে, হ্যারি কেইন, ফিল ফোডেন, নিকো উইলিয়ামস, ফ্লোরিয়ান বির্টজ, লামিন ইয়ামাল, আর্লিং হালান্ড, এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, আলভারো মোরাতা, লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ, দানি ওলমো, বুকাওয়ে সাকা এবং রদ্রিগো।

ফুটবলারদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের জন্য দেওয়া হয়ে থাকে এই পুরস্কার। ব্যালন ডি’অরের জন্য আগে পুরো বছরের পারফরম্যান্স বিবেচনায় নেওয়া হত। তবে গত বছর দুই ধরে নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়। ২০২২ সাল থেকে বিবেচনা করা হচ্ছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের পুরো একটি মৌসুমের সময়কে (আগস্ট-জুলাই)।

রেকর্ড ৮ বার এই পুরস্কার জিতেছেন লিওনেল মেসি। ৬ বার নিজের করেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ২০০৮ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত একচেটিয়াভাবে পুরস্কারটি ছিল রোনালদো ও মেসির দখলে। মাঝে ২০১৮ সালে লুকা মদ্রিচ ও ২০২২ সালে সেটি জিতে নিয়েছিলেন করিম বেনজেমা। তবে সবশেষ গত বছরও পুরস্কারটি ফের নিজের করে নেন মেসি।

Comments