HP এর প্রশ্নবিদ্ধ দল নির্বাচন নিয়ে নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ‘এটা কি কোথাও লেখা আছে এইচপি এদের (সদ্য অনূর্ধ্ব-১৯ দল থেকে উঠে আসা বা অনূর্ধ্ব-২৩ স্তর) জন্য?’


HP এর প্রশ্নবিদ্ধ দল নির্বাচন নিয়ে নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ‘এটা কি কোথাও লেখা আছে এইচপি এদের (সদ্য অনূর্ধ্ব-১৯ দল থেকে উঠে আসা বা অনূর্ধ্ব-২৩ স্তর) জন্য?’

অথচ ২০১৯ সালে বিসিবিতে এইচপির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক নাঈমুর রহমান বলেছিলেন, ‘অ্যাকাডেমি আর এইচপি কিন্তু আলাদা। এবার আমরা বয়সের সীমা দিয়ে এইচপিকে এইচপির মতো করে পরিচালনা করব। আমরা বয়সের কথা চিন্তা করেছি, যেহেতু ইমারজিং কাপের মতো একটা টুর্নামেন্ট হয় অনূর্ধ্ব-২৩ দের নিয়ে, সেটা বিবেচনা করে অনূর্ধ্ব-২৩’র মতো করে আমরা সাজাচ্ছি।’ 

কিন্তু এসব কিছুই বাস্তবে প্রয়োগ হচ্ছে না। অস্ট্রেলিয়াতে বিসিবির এইচপি নামে যে তিনটা দল যাচ্ছে, যে সফরটি খোদ বিসিবি সভাপতির ভাষাতেই ‘অত্যন্ত ব্যয়বহুল সফর’, সেই সফরের দলগুলো হয়েছে জগাখিচুড়ির মতো। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলে আসা তানজিদ হাসান তামিম এবং ট্রাভেলিং রিজার্ভ হিসেবে দলের সঙ্গে থাকা আফিফ হোসেনকে নেওয়া হয়েছে এইচপির ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি দলে। আফিফকে করা হয়েছে অধিনায়ক। ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া ২৮ বছর বয়সী আবু হায়দার রনিকেও নেওয়া হয়েছে। একই দলে আছে এই বছরে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলা মাহফুজুর রহমান রাব্বি, জিশান আলমও। পাকিস্তান শাহিনস বা ‘এ’ দলের বিপক্ষে দুটো চারদিনের ম্যাচের জন্য এইচপি দলে আছেন ১৩টা করে টেস্ট খেলে ফেলা সাদমান ইসলাম এবং মাহমুদুল হাসান জয়। 
তরুণ বা উদীয়মান ক্রিকেটারদের আসরে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের পাঠিয়ে দেওয়ার অভ্যাস নতুন নয় বাংলাদেশে।

সফরে এইচপির প্রতিপক্ষদের একটি বিগব্যাশ লিগের ফ্র্যাঞ্চাইজি মেলবোর্ন স্টাস- এর মহাব্যবস্থাপক ব্লেয়ার ক্রাউচ আয়োজক নর্দার্ন টেরিটোরি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে জানিয়েছেন, ‘মেলবোর্ন স্টার্স অ্যাকাডেমি দল নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এই প্রতিযোগিতায় (টপএন্ড টি-টোয়েন্টি) অংশ নিতে পেরে আনন্দিত। এতে আমরা ভিক্টোরিয়া অঞ্চলের তরুণ টি-টোয়েন্টি প্রতিভাদের খুঁজে পাব এবং আমাদের অ্যাকাডেমিতে থাকা চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়রাও তাদের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।’ 

আরেক প্রতিপক্ষ পার্থ স্কর্চার্স ফ্র্যাঞ্চাইজির মহাব্যবস্থাপক কেড হার্ভের বক্তব্য, ‘এটা অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া মৌসুম শুরুর আগে প্রাক-মৌসুম আয়োজন হিসেবে আমাদের প্রস্তুতির মাত্রা বাড়িয়ে দেবে। এর মাধ্যমে আমরা ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার তরুণ কিছু ক্রিকেটারকে টুর্নামেন্টের ভেতর অস্ট্রেলিয়া এবং এশিয়ার কিছু শক্তিশালী দলের বিপক্ষে পরখ করার সুযোগ পাব।’

অর্থাৎ অংশগ্রহণকারী স্থানীয় দলগুলো মূলত ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর অ্যাকাডেমির খেলোয়াড়দের নিয়ে, সঙ্গে স্থানীয় কিছু ক্রিকেটার। তাদের বিপক্ষে খেলার জন্যই কি না রীতিমতো আটঘাট বেঁধে চার-পাঁচজন ক্রিকেটারকে এইচপি দলে ফিরিয়ে এনে দল সাজিয়েছেন নির্বাচকরা! 


Sports Courtyard

Comments