নিহতদের মধ্যে একজনের নাম জানা গেছে। তিনি হলেন- দুপচাঁচিয়া উপজেলার বীরকেদার গ্রামের মনিরুল ইসলাম (২৪)।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা সরকারবিরোধী অসহযোগের সময় বগুড়ায় পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষের সময় গুলিতে তিনজন নিহত হয়েছেন।

রোববার বগুড়া সদর ও দুপচাঁচিয়া উপজেলায় এসব নিহতের ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

নিহতদের মধ্যে একজনের নাম জানা গেছে। তিনি হলেন- দুপচাঁচিয়া উপজেলার বীরকেদার গ্রামের মনিরুল ইসলাম (২৪)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার সকাল ১১টা থেকেই বগুড়া শহরের সাতমাথা মোড়ে আন্দোলনকারীরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তখন একই স্থানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও অবস্থান নেন। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা ধাওয়া দিলে আওয়ামী লীগের লোকজন সরে যায়।

তখন পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা সারা শহরেই ছড়িয়ে পড়ে। শহরের তিন নম্বর রেল ঘুণ্টি ও কাঁঠালবাড়ী এলাকায় দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

তাদের মরদেহ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে বলে হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. ওয়াদুদ জানান।

তবে তিনি দুজনের নাম জানাতে পারেনি। তিনি বলেন, আরও নয়জন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

শহরে গুলিতে নিহত আরেকজনের মরদেহ বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের মর্গে রয়েছে বলে আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সফিক আমিন জানান।

তিনি বলেন, আরও দুজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া থানার ওসি সনাতন চক্রবর্তী বলেন, “দুপুরে আন্দোলনকারীরা থানার দিকে মিছিল নিয়ে আসে। তখন আমরা তাদের বাধা দেই। এ সময় তাদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় একজন নিহত হয়।

Comments