৭ ম্যাচে ৩ জয় ৩ হার আর এক ড্র ব্রাজিলের। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ৭ ম্যাচের ছ’টাতেই জিতে আছে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে।

Published from Blogger Prime Android App

ব্রাজিল ২৭, ইকুয়েডর ২, ড্র ৬… মুখোমুখি লড়াইয়ে আগের ৩৫টায় পরিসংখ্যান যখন এই, তখন বুঝে নিতে অসুবিধে হবার কথা না, বিশ্বকাপ বাছাইয়ের এ ম্যাচে ক্লিয়ার ফেভারিট ছিলো সেলেসাওরাই। তবে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে শেষ ৪ ম্যাচে জয়হীন ব্রাজিলের পা ফসকানোর ভয়টা তো ছিলোই। সঙ্গে সবশেষ কোপা আমেরিকার ৪ ম্যাচে মোটে একটা জয় আর কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বাদ পড়ার দুঃস্মৃতি তো ছিলোই। ম্যাচ শেষে ফলটা যদিও ব্রাজিলের পক্ষে গেছে, তবে এক্কেবারে ছেড়ে কথা বলেনি ইকুয়েডরিয়ানরাও। 

গোটা ম্যাচে ১০টা শট নিয়েছে ব্রাজিল। অতিথি ইকুয়েডরের পা হতে এসেছে ৯টা গোল। তবে অন টার্গেট শট ব্রাজিলের মোটে ৩টা আর ইকুয়েডরের মোটে ২টা। এই হিসেবটাই বলে দেয় সুযোগ অনেক মিললেও, তার সদ্ব্যবহার সে অর্থে করা যায়নি।   

ম্যাচের ১২ মিনিটের সময়ে একটা সুযোগ মেলে ফরোয়ার্ড রদ্রিগোর। তবে তার শটটা সহজেই ফিরিয়ে দেন ইকুয়েডরিয়ান গোলকিপার এরনান গালিন্দেস। তবে ম্যাচের যখন আধ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হয়েছে তখন আর রদ্রিগোর শটটা ঠেকাতে পারেননি তিনি। লুকাস পাকেতার অ্যাসিস্টে ডি বক্সের বাইরে থেকেই বাঁকানো শটে ব্রাজিলকে লিড এনে দেন রদ্রিগো। 

প্রথমার্ধের বাঁশি বাজার ঠিক আগে, ম্যাচের সবচেয়ে বড় সুযোগটা যায় ফসকে যায় ইকুয়েডরের। কেভিন রদ্রিগেজের থ্রু বল ডি বক্সের একদম মধ্যিখানে পেয়ে যান চেলসির মিডফিল্ডার ময়সেস কাইসেদো। তবে ব্রাজিলিয়ান গোলকিপার অ্যালিসন বেকার তা ঠেকিয়ে দেন সুনিপুণ দক্ষতায়। রিবাউন্ডে আরেকটা শট নেন কাইসেদো তবে সেটাও ঠেকিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল মাগালিয়াইস।  

ম্যাচের বাকি সময়ে দুই পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি আক্রমণের পসরা সাজিয়েছে দু’দলই। একাধিক সুযোগ হাতছাড়া করেছেন ভিনিসিয়ুস-রদ্রিগোরা। ৫ বারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নদের তেমন কোনো চ্যালেঞ্জের মুখেও ফেলতে পারেনি ইকুয়েডর। এক গোলের সে জয়েই মাঠ ছাড়ে হোস্টরা। এ জয়ে এক লাফে পয়েন্ট টেবিলের চারে উঠে এসেছে সেলেসাওরা। ৭ ম্যাচে ৩ জয় ৩ হার আর এক ড্র ব্রাজিলের। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ৭ ম্যাচের ছ’টাতেই জিতে আছে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে।

Comments